• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
সুখবর: ৪৫০ দিন পর পূর্ণ যৌবন ফিরে পেল রূপসা/সীমান্ত এক্সপ্রেস* ১৪ কোচের বিশাল বহর নিয়ে ছুটবে, যুক্ত হলো বহুল প্রত্যাশিত নন-এসি কেবিন তেলিগাতি পাকারমাথায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, জড়িত দুজন প্রাক্তন কুয়েট শিক্ষার্থী। ঝুঁকির মধ্যে কোরআনের পাখিরা! খালিশপুরের মাদ্রাসা ভবন ভেঙে পড়ার উপক্রম* রামপালে ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যহত শতবর্ষী বৃদ্ধার স্বপ্নপূরণ: নতুন ঘর পেলেন রামপালের সখিনা বেগম বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় পার্কিংয়ের নামে অযৌক্তিক চাঁদা আদায় শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ‘রুকন সম্মেলন ২০২৬’! স্লিপার বাস বন্ধ নয়—প্রয়োজন নিরাপদ ও সুস্পষ্ট নীতিমালা ডেগ খুলতেই টাকার পাহাড়! শাহজালাল মাজারের কোটি টাকা কি পড়ে থাকবে, নাকি বাঁচাবে গরীবের প্রাণ?*

শিরোনাম: পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর পর পেনড্রাইভ-ল্যাপটপ ইস্যু: নতুন করে প্রশ্নের মুখে পুরনো প্রোপাগান্ডা*

M.A Salam ( Babu) / ৩৫ ০০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

*রবিউল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা ভিশন | খুলনা*

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে পেনড্রাইভ ও ল্যাপটপ গায়েব হওয়ার অভিযোগ। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও, অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে এর পেছনে রয়েছে পুরনো প্রোপাগান্ডার নতুন মোড়ক।

*কী ঘটেছিল ২০০৯ সালে?*

সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের রায় অনুযায়ী, এটি কোনো সাধারণ বিদ্রোহ ছিল না। এটি ছিল দেশের সেনাবাহিনীকে নেতৃত্বশূন্য করা এবং তৎকালীন নবগঠিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রে দেশি-বিদেশি একটি চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী মহল এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।

*পেনড্রাইভ-ল্যাপটপ ইস্যু: ধোঁয়াশা তৈরির কৌশল?*

দীর্ঘ দেড় যুগ পর হঠাৎ করে “গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ভর্তি পেনড্রাইভ ও ল্যাপটপ” উধাও হওয়ার গল্প সামনে আনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, দেশের ভেতরে এত সংস্থা, এত তদন্তের পরেও যা পাওয়া যায়নি, তা হঠাৎ বিদেশে বসে কীভাবে পাওয়া গেল?

বিশ্লেষকদের মতে, এটি অনেকটা অতীতের “জজ মিয়া নাটকের” মতোই জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা। মূল ঘটনার বিচার ও ষড়যন্ত্রের গভীরে না গিয়ে একটি চটকদার গল্প দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য। অনেকেই একে “পান্তা ভাতে মারজারিন” মেশানোর মতো ঘটনা বলছেন – অর্থাৎ আসল ঘি বা আসল সত্যের বদলে নকল ও ভেজাল গল্প পরিবেশন।

*সাগর-রুনি প্রসঙ্গ কেন আসছে?*

অনেকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সাথে এই ডকুমেন্ট উদ্ধারের বিষয়টি জড়িয়ে নানা তত্ত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ বা সরকারি সংস্থার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

*শেষ কথা*

৫৭ জন সেনা অফিসার হত্যার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হলেও, এর পেছনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো জাতির সামনে আসা প্রয়োজন। পেনড্রাইভ, ল্যাপটপের মতো মুখরোচক গল্প দিয়ে সেই সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করলে তা ইতিহাসের প্রতি অবিচার হবে। জনগণ এখন গুজব নয়, তথ্যভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও সত্য জানতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা