সবচেয়ে তাজ্জব ও অন্যায় বিষয় হলো—আপনি গাড়ি পার্কিং করুন আর না-ই করুন, কেবল ভেতরের এরিয়ায় ঢুকে কাউকে নামিয়ে দিয়ে বা ঘোরার পর সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে আসলেও এই টাকা বাধ্যতামূলক আদায় করা হচ্ছে।
পার্কিং ফি মূলত নেওয়া হয় সুনির্দিষ্ট কোনো স্থানে গাড়ি পার্ক বা থামিয়ে রাখার সুবিধার বিনিময়ে। পার্কিং সেবা না নিয়ে কেবল প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য কেন ৫০ টাকা দিতে হবে? এটি সেবার মূল্য নয়, বরং ইজারাদারদের এক ধরণের “আইনি চাঁদাবাজি” ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী ও গাড়িচালক এভাবেই কোনো কারণ ছাড়াই হয়রানি ও আর্থিক শোষণের শিকার হচ্ছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার দর্শনার্থী ও সকল জনগণের দাবি :
প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারের অনুমোদিত রশিদের আড়ালে এই অযৌক্তিক অর্থ আদায় অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফ্রি ড্রপ-অফ সুবিধা রাখা এবং প্রকৃত পার্কিং ব্যতিরেকে ফি আদায়ের এই নিয়ম বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:
পার্কিং না করলে কোনো প্রবেশ ফি বা পার্কিং ফি নেওয়া যাবে না।
ড্রপ-অফ ও পিক-আপের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রি টাইম বরাদ্দ করতে হবে।
ইজারাদারদের অযৌক্তিক চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।