• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
সাপের কামড়, দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার চিকিৎসকদের পরামর্শ খুলনা দৌলতপুর কুলিরবাগান নামক এলাকাতে জলিল মুন্সি (৩৫), পিতাঃ- দিলু মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে গু/লি করে হ/ত্যা  সুখবর: ৪৫০ দিন পর পূর্ণ যৌবন ফিরে পেল রূপসা/সীমান্ত এক্সপ্রেস* ১৪ কোচের বিশাল বহর নিয়ে ছুটবে, যুক্ত হলো বহুল প্রত্যাশিত নন-এসি কেবিন তেলিগাতি পাকারমাথায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, জড়িত দুজন প্রাক্তন কুয়েট শিক্ষার্থী। ঝুঁকির মধ্যে কোরআনের পাখিরা! খালিশপুরের মাদ্রাসা ভবন ভেঙে পড়ার উপক্রম* রামপালে ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যহত শতবর্ষী বৃদ্ধার স্বপ্নপূরণ: নতুন ঘর পেলেন রামপালের সখিনা বেগম বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় পার্কিংয়ের নামে অযৌক্তিক চাঁদা আদায় শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ‘রুকন সম্মেলন ২০২৬’!

শতবর্ষী বৃদ্ধার স্বপ্নপূরণ: নতুন ঘর পেলেন রামপালের সখিনা বেগম

M.A Salam ( Babu) / ১৯ ০০ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আবুু-হানিফ,(বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

শতবর্ষ পার করা সখিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ একটি ঘরে চরম ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। শেষ বয়সে এসেও মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয়ের স্বপ্ন দেখতে ছিলেন ওই বৃদ্ধা। অবশেষে মহান আল্লাহর হুকুমে ১০১ বছর বয়সে এসে তাঁর সেই দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হলো। ‘ইরামন ফাউন্ডেশন’ এর সহায়তায় মাথা গোঁজার একটি নতুন টিনসেড ঘর পেলেন সখিনা বেগম।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামপাল উপজেলার মানিকনগর পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা সখিনা বেগমের জরাজীর্ণ ঘরের চিত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে উঠে আসে। বিষয়টি নজরে আসে সমাজসেবক আকবর হায়দার মুন্নার। তিনি আশিক নামের এক স্বেচ্ছাসেবীকে নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে সখিনা বেগমের নাতি এবং স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রেসক্লাব রামপাল এর সদস্য সচিব মেহেদী হাসানের সহযোগিতায় বৃদ্ধার জরাজীর্ণ ঘরের করুণ বাস্তব চিত্র দেখতে পান। ঘরের নাজুক অবস্থা দেখে অবিলম্বে বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় মানবসেবামূলক সংস্থা ইরামন ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আকবর হায়দার মুন্না ঘর নির্মাণের সম্পূর্ণ খরচ বহনের আশ্বাস দেন।

​পরবর্তীতে স্থানীয় সাংবাদিক মেহেদী হাসানের তত্ত্বাবধানে গত ৯ আগস্ট শুরু হয় ঘর নির্মাণের কাজ। এক মাসের প্রচেষ্টায় গত ৯ সেপ্টেম্বর সুন্দর ও নিরাপদ একটি নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয় সখিনা বেগমকে। শুধু নতুন ঘরই নয়, সখিনা বেগমের আবদার মেনে ঘরে একটি বৈদ্যুতিক ফ্যানের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়।
নতুন ঘর পেয়ে আবেগে আপ্লুত বৃদ্ধা সখিনা বেগম বলেন, শেষ বয়সে এসে ভাঙ্গা ঘরে ভিজে-শুকনায় দিন কাটাতে হতো। এখন নতুন ঘর পেয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারব। তিনি ঘর নির্মাণে সহায়তাকারী সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও দোয়া করেন।
উদ্যোক্তারা জানান, মানুষের জন্য করা ছোট্ট উদ্যোগও যে কারো জীবনে কত বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে, সখিনা বেগমের এই নতুন ঘর তারই একটি সুন্দর উদাহরণ। সমাজে বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে এলে বহু অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করা সম্ভব।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা