• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
Headline
সাপের কামড়, দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার চিকিৎসকদের পরামর্শ খুলনা দৌলতপুর কুলিরবাগান নামক এলাকাতে জলিল মুন্সি (৩৫), পিতাঃ- দিলু মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে গু/লি করে হ/ত্যা  সুখবর: ৪৫০ দিন পর পূর্ণ যৌবন ফিরে পেল রূপসা/সীমান্ত এক্সপ্রেস* ১৪ কোচের বিশাল বহর নিয়ে ছুটবে, যুক্ত হলো বহুল প্রত্যাশিত নন-এসি কেবিন তেলিগাতি পাকারমাথায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, জড়িত দুজন প্রাক্তন কুয়েট শিক্ষার্থী। ঝুঁকির মধ্যে কোরআনের পাখিরা! খালিশপুরের মাদ্রাসা ভবন ভেঙে পড়ার উপক্রম* রামপালে ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যহত শতবর্ষী বৃদ্ধার স্বপ্নপূরণ: নতুন ঘর পেলেন রামপালের সখিনা বেগম বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় পার্কিংয়ের নামে অযৌক্তিক চাঁদা আদায় শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ‘রুকন সম্মেলন ২০২৬’!

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা: রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

M.A Salam ( Babu) / ৭১ ০০ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আবু-হানিফ,​বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। পরকীয়া সংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে যেকোনো সময় চান্দেরকোলা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪ আগস্ট সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০২, তারিখ: ০৫/০৮/২০২৬, ধারা: ৩০২ পেনাল কোড) রুজু করা হয়।
​ঘটনার পর বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কচুয়া থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অভিযানে নামে। গত ১৩ আগস্ট যৌথ দল অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত মূল আসামি জাহিদুল ইসলাম (পিতা: মৃত মজিদ হাওলাদার)-কে গ্রেপ্তার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে অপর দুই আসামি আসাদুল শেখ (পিতা: সুলতান শেখ) এবং মো: আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবু (পিতা: বারিক হাওলাদার)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে আসামি আসাদুলের ঘর থেকে আলামত হিসেবে একটি ZENX-2 মোবাইল ফোন ও চার্জার উদ্ধার করা হয়।
​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম আহাদের পরিবারের এক নারীর সাথে আসামি জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি উভয় পরিবারে জানাজানি হলে আহাদের মা (ভিকটিম মনিরা বেগম)-এর সাথে জাহিদুলের ঝগড়াঝাঁটি হয়। এছাড়া জাহিদুলের নিজ স্ত্রীর সাথেও এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এই ক্ষোভ ও দ্বন্দ্বের জেরে জাহিদুল ইসলামের পরিকল্পনায় গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামিদের সহযোগিতায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
​বাগেরহাটের পুলিশ সুপার জনাব হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা