• বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
Headline
খুলনা হকার্স মার্কেটে নিষিদ্ধ পলিথিন বিরোধী মোবাইল কোর্ট, অভিযান পরিচালিত হয়েছে দুদকের নির্দেশনার পর চাকরিচ্যুত বনকর্মীর বিরুদ্ধে ৪৭ লাখ টাকা আদায়ে মামলা সুন্দরবনে ১৫০ চোরা শিকারী চিহ্নিত!বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজসম্পদ রক্ষায় গোয়েন্দা নজরদারিতে তালিকা ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আগেও ছিল দুটি মামলা মোংলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় সংখ্যালঘু পরিবারের নারী-পুরুষসহ আহত ৭ খুলনায় ‘আশিক গ্রুপের’ শীর্ষ শুটার দাবি করা পারভেজ গ্রেপ্তার ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এর উদ্দেগ্যে , নাশকতা বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল মেধা বিকাশেও অনন্য মোহাম্মদ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়: দেশসেরা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ৪র্থ স্থান অর্জন খুলনার অস্ত্রসহ পাঁচ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার ১১ মাসে বি‌টি‌ভির আয় ৮‌ কো‌টি টাকা, ব্যয় ২৫৪ কো‌টি

দুদকের নির্দেশনার পর চাকরিচ্যুত বনকর্মীর বিরুদ্ধে ৪৭ লাখ টাকা আদায়ে মামলা

আল আমিন সিকদার / ৭৩ ০০ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

খুলনা: মিথ্যা জন্মতারিখ ও জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে চাকরিচ্যুত সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের নৈশ প্রহরী মো. সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে সরকারি অর্থ আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করেছে বন বিভাগ। মামলায় তাঁর কাছে ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ২০৭ টাকা দাবি করা হয়েছে।

‎সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বাদী হয়ে গত ২৩ জুন খুলনার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে মামলাটি করেন। আদালতে মামলাটি মানি মামলা নং-১১/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মিথ্যা জন্মতারিখ ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিরাজুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

‎তবে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বন বিভাগের বরখাস্তাদেশ বহাল রাখেন। বন বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ জানান, আদালত সিরাজুল ইসলামের দায়ের করা মামলা খারিজ করে বন বিভাগের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন।

‎অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এক বনকর্মচারী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গণশুনানিতে সিরাজুল ইসলামের অবৈধভাবে চাকরি গ্রহণ এবং চাকরিকালীন সময়ে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ উত্থাপন করেন। পরে দুদক বিষয়টি পর্যালোচনা করে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাঁর কাছ থেকে সরকারি অর্থ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেয়।

‎বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে বরখাস্তাদেশ বহাল থাকায় সিরাজুল ইসলামের চাকরিকালীন সময়ে ভোগ করা সরকারি অর্থ আদায়ে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই। সে লক্ষ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

<span;>‎মামলায় আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ হিসেবে ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ২০৭ টাকা আদায়ের আবেদন জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা