• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
আদালতে নেওয়ার পথেই ফিরিয়ে এনে আসামি ছেড়ে দিল বন বিভাগ , তদন্তের দাবি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খুলনা নগরীর শিপইয়ার্ড–রূপসা স্ট্যান্ড সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী খুলনায় নেশাগ্রস্ত পিতার হাতে খুন হন স্কুল ছাত্রী নির্জানা;আদালতে মায়ের জবানবন্দি সুন্দরবনে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার জিম্মি জেলে খুলনা পুরাতন জেলা কারাগার থেকে দেওয়াল টপকে পালাল বন্দি খুলনার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় বস্তাবন্দী রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার মোংলায় শরীফ মোস্তফা কামালের বিদায় সংবর্ধনা  খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে ট্রাক-দুই ইজিবাইকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৮ খুলনায় ট্রাক ও ইজিবাইক সংঘর্ষে দুই জন নিহত সুন্দরবনের অবৈধভাবে বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করা হবে: বন প্রতিমন্ত্রী

রফিক গাজী হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন দুইজন গ্রেপ্তার

রাজ / ৩২ ০০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

খুলনার লবণচরা থানার আলোচিত রফিক গাজী হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৬। র‍্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন খুলনার আশিক গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
র‍্যাব-৬ জানায়, সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমন শরীফ (২৭) ও সজল খানকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বাড়ি খুলনা মহানগরের লবণচরা এলাকায়।
র‍্যাবের ভাষ্য, গত ১২ জুন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে লবণচরা থানার মাথাভাঙা এলাকার রায়পাড়ায় স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সময় ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী রফিক গাজীর পথরোধ করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় রফিক গাজীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম বাদী হয়ে লবণচরা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।
র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ইমন শরীফ ও সজল খানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা