• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে ধারালো চাপাতি দিয়ে গুরুতর জখমের মামলার প্রধান আসামি ও পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজ এবং তার সহযোগী ইব্রাহীমকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি। কয়রায় ৫৭ টি পূজা মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক বটিয়াঘাটায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: ৩০ হাজার মিটার জাল জব্দ, মাছ বিতরণ এতিমখানায় সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ দস্যুর আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনিকে সংবর্ধনা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনা জেলা কারাগার-২-এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের শব্দ, ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নানা হয়রানি: শব্দদূষণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ কপিলমুনি কলেজে ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খুলনা দিঘলিয়া উপজেলা নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা।

দুদকের নির্দেশনার পর চাকরিচ্যুত বনকর্মীর বিরুদ্ধে ৪৭ লাখ টাকা আদায়ে মামলা

আল আমিন সিকদার / ৪৯৪ ০০ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

খুলনা: মিথ্যা জন্মতারিখ ও জাল সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে চাকরিচ্যুত সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের নৈশ প্রহরী মো. সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে সরকারি অর্থ আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করেছে বন বিভাগ। মামলায় তাঁর কাছে ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ২০৭ টাকা দাবি করা হয়েছে।

‎সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বাদী হয়ে গত ২৩ জুন খুলনার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে মামলাটি করেন। আদালতে মামলাটি মানি মামলা নং-১১/২০২৬ হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মিথ্যা জন্মতারিখ ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সিরাজুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

‎তবে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বন বিভাগের বরখাস্তাদেশ বহাল রাখেন। বন বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ জানান, আদালত সিরাজুল ইসলামের দায়ের করা মামলা খারিজ করে বন বিভাগের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন।

‎অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এক বনকর্মচারী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গণশুনানিতে সিরাজুল ইসলামের অবৈধভাবে চাকরি গ্রহণ এবং চাকরিকালীন সময়ে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ উত্থাপন করেন। পরে দুদক বিষয়টি পর্যালোচনা করে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাঁর কাছ থেকে সরকারি অর্থ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেয়।

‎বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে বরখাস্তাদেশ বহাল থাকায় সিরাজুল ইসলামের চাকরিকালীন সময়ে ভোগ করা সরকারি অর্থ আদায়ে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই। সে লক্ষ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

<span;>‎মামলায় আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ হিসেবে ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ২০৭ টাকা আদায়ের আবেদন জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা