সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ভুয়া অজুহাত তুলে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার যে প্রবণতা তৈরি করার চেষ্টা চলছে, এই ঘটনা তারই একটি জ্বলন্ত প্রমাণ
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার শান্তনু দেবনাথ স্বীকার করেন যে, তাঁরা গোমতী জেলার শিলাছড়ি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন। তবে ভারতীয় পুলিশ ও আদালতের সহানুভূতি পেতে এবং ভারতে স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার চক্রান্ত হিসেবে তিনি এক চতুর অজুহাত দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। শান্তনু দাবি করেন, বাংলাদেশে নাকি তাঁরা ‘চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হচ্ছিলেন এবং সেই ‘হুমকি’ থেকে বাঁচতেই তাঁরা ভারতে এসে আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
অনুপ্রবেশের নেপথ্য কারণ হিসেবে ‘হুমকির’ বানোয়াট গল্প শোনালেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শান্তনু প্রকাশ করে ফেলেন যে, এটি ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা। তিনি জানান, অতীতে কলেজের একটি ট্যুরের সময় তিনি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সীমান্ত এলাকা ঘুরে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি ওই দুর্গম এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার রুটের সন্ধান পান। সেই পুরোনো অভিজ্ঞতা ও ছককে কাজে লাগিয়েই সুযোগ বুঝে তিনি সস্ত্রীক সীমান্ত পাড়ি দেন।