• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
Headline
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে ধারালো চাপাতি দিয়ে গুরুতর জখমের মামলার প্রধান আসামি ও পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজ এবং তার সহযোগী ইব্রাহীমকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি। কয়রায় ৫৭ টি পূজা মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক বটিয়াঘাটায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: ৩০ হাজার মিটার জাল জব্দ, মাছ বিতরণ এতিমখানায় সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ দস্যুর আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনিকে সংবর্ধনা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনা জেলা কারাগার-২-এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের শব্দ, ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নানা হয়রানি: শব্দদূষণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ কপিলমুনি কলেজে ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খুলনা দিঘলিয়া উপজেলা নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা।

তেলিগাতি পাকারমাথায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, জড়িত দুজন প্রাক্তন কুয়েট শিক্ষার্থী।

M.A Salam ( Babu) / ১৮৭ ০০ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Oplus_131072

রবিউল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার,খুলনা ভিশন,

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । অত্র তেলিগাতি এলাকার পাকারমাথায় সাজমির (তন্বী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এ কর্মরত) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুই প্রাক্তন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, কুয়েটের ১৯ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. তৌফিক ইসলাম কিছুদিন আগে সাজমিরকে চাকরির জন্য তেলিগাতি থেকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরে অভিযোগ ওঠে, সাজমির সেখানে নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে তেলিগাতিতে ফিরে আসেন। ঘটনাটি প্রায় এক থেকে দুই মাস আগের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে তৌফিক ইসলাম ও মেকানিক্যাল ২০ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী খান তানভীরসহ আরও কয়েকজন তেলিগাতিতে এসে সাজমিরকে খুঁজতে থাকেন। পরে পাকারমাথা এলাকায় তাকে পেয়ে তারা মারধর শুরু করেন। মারধরের একপর্যায়ে সাজমির গুরুতর অসুস্থ হয়ে রক্তবমি করতে থাকলে তাকে কুয়েট ক্যাম্পাসে পুলিশ ফাঁড়িতে ফেলে দিয়ে যায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা। তবে অভিযুক্তরা প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ঘটনাটি ক্যাম্পাসের বাইরে ঘটেছে বলে পুলিশ বিষয়টি তখন গ্রহণ করেনি বলে শোনা যায়।

পরবর্তীতে সাজমিরকে কুয়েট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে খুলনার ২৫০ বেড হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর তার মৃত্যু হয়। গত শনিবার রাতে তাকে মারধর করা হয় এবং পরদিন রোববার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে মারা যায

ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। কিছু গুপ্ত মহল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে, এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিরোধের ঘটনা এবং এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলছে, ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা