• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
Headline
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনিকে সংবর্ধনা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনা জেলা কারাগার-২-এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের শব্দ, ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নানা হয়রানি: শব্দদূষণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ কপিলমুনি কলেজে ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খুলনা দিঘলিয়া উপজেলা নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা। এমপি বকুলের সান্নিধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক যাচ্ছে সাগর মায়ের অস্ত্রোপচার নিয়ে দুশ্চিন্তা, দোয়া কামনা খুলনায় বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ককটেল সদৃশ্য বস্তুসহ তিনজন আটক নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ সেই ‘চোর’ বাবা আসলে চোর নন, পরিস্থিতির শিকার

নবীনগরে তিতাস নদী ভরাট, ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা ও ১৫ দিনের আল্টিমেটাম ।

M.A Salam ( Babu) / ১২০ ০০ Time View
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রবিউল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা, ভিশন।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে তিতাস (বুড়ী) নদী ভরাট করার অপরাধে ‘আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতাল’ ও ‘আহমেদ গার্ডেন সিটি’র মালিক ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নবীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান।

একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধভাবে দখল করা সকল স্থাপনা ও বালু অপসারণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ভরাট কার্যক্রম মাঝে বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা পুনরায় শুরু হয়। গত শনিবার পানির নিচ থেকে হঠাৎ বালু জেগে উঠলে বিষয়টি স্থানীয় সাধারণ মানুষের নজরে আসে এবং পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তিতাস নদী এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নৌপথ।

ভৈরব ও নরসিংদীর সঙ্গে যোগাযোগের এই রুটে প্রতিদিন একাধিক লঞ্চ, শতাধিক যাত্রীবাহী নৌকা, স্পিডবোট এবং পণ্যবাহী কার্গো যাতায়াত করে। বিশেষ করে নবী নগর উপজেলা খাদ্য গুদামের ধান, চাল, গম এবং সদর বাজারের ব্যবসায়ীদের মালামাল এই পথেই পরিবাহিত হয়।

নদীটির নাব্যতা রক্ষার্থে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং নৌপথ’ প্রকল্পের আওতায় ২৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে নবী নগর থেকে কসবার কুটি বাজার পর্যন্ত খননকাজ চালানো হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এমনিতেই পলি জমে নদীটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর ওপর এভাবে বালু ভরাট অব্যাহত থাকলে শুষ্ক মৌসুমে নৌযান চলাচল বন্ধ হওয়াসহ তীব্র পানি সংকট দেখা দেবে। এতে নদীনির্ভর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেরা মারাত্মক জীবিকা সংকটে পড়বেন। দ্রুত নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, তিনি নিজের ক্রয়কৃত জায়গাতেই বালু ফেলছেন। একসময় জায়গাটি নদীভুক্ত থাকলেও বর্তমানে ভূমি অফিস থেকে শ্রেণিবদলের মাধ্যমে নাল জমি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান স্পষ্ট জানিয়েছেন, নদী দখল বা ভরাট করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। জনস্বার্থে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা