• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনিকে সংবর্ধনা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনা জেলা কারাগার-২-এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের শব্দ, ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নানা হয়রানি: শব্দদূষণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ কপিলমুনি কলেজে ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খুলনা দিঘলিয়া উপজেলা নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা। এমপি বকুলের সান্নিধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক যাচ্ছে সাগর মায়ের অস্ত্রোপচার নিয়ে দুশ্চিন্তা, দোয়া কামনা খুলনায় বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ককটেল সদৃশ্য বস্তুসহ তিনজন আটক নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ সেই ‘চোর’ বাবা আসলে চোর নন, পরিস্থিতির শিকার

শিরোনাম: পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর পর পেনড্রাইভ-ল্যাপটপ ইস্যু: নতুন করে প্রশ্নের মুখে পুরনো প্রোপাগান্ডা*

M.A Salam ( Babu) / ১২৭ ০০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

*রবিউল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা ভিশন | খুলনা*

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে পেনড্রাইভ ও ল্যাপটপ গায়েব হওয়ার অভিযোগ। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও, অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে এর পেছনে রয়েছে পুরনো প্রোপাগান্ডার নতুন মোড়ক।

*কী ঘটেছিল ২০০৯ সালে?*

সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের রায় অনুযায়ী, এটি কোনো সাধারণ বিদ্রোহ ছিল না। এটি ছিল দেশের সেনাবাহিনীকে নেতৃত্বশূন্য করা এবং তৎকালীন নবগঠিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রে দেশি-বিদেশি একটি চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী মহল এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।

*পেনড্রাইভ-ল্যাপটপ ইস্যু: ধোঁয়াশা তৈরির কৌশল?*

দীর্ঘ দেড় যুগ পর হঠাৎ করে “গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ভর্তি পেনড্রাইভ ও ল্যাপটপ” উধাও হওয়ার গল্প সামনে আনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, দেশের ভেতরে এত সংস্থা, এত তদন্তের পরেও যা পাওয়া যায়নি, তা হঠাৎ বিদেশে বসে কীভাবে পাওয়া গেল?

বিশ্লেষকদের মতে, এটি অনেকটা অতীতের “জজ মিয়া নাটকের” মতোই জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা। মূল ঘটনার বিচার ও ষড়যন্ত্রের গভীরে না গিয়ে একটি চটকদার গল্প দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য। অনেকেই একে “পান্তা ভাতে মারজারিন” মেশানোর মতো ঘটনা বলছেন – অর্থাৎ আসল ঘি বা আসল সত্যের বদলে নকল ও ভেজাল গল্প পরিবেশন।

*সাগর-রুনি প্রসঙ্গ কেন আসছে?*

অনেকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সাথে এই ডকুমেন্ট উদ্ধারের বিষয়টি জড়িয়ে নানা তত্ত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ বা সরকারি সংস্থার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

*শেষ কথা*

৫৭ জন সেনা অফিসার হত্যার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হলেও, এর পেছনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো জাতির সামনে আসা প্রয়োজন। পেনড্রাইভ, ল্যাপটপের মতো মুখরোচক গল্প দিয়ে সেই সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করলে তা ইতিহাসের প্রতি অবিচার হবে। জনগণ এখন গুজব নয়, তথ্যভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও সত্য জানতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা