• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
Headline
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে ধারালো চাপাতি দিয়ে গুরুতর জখমের মামলার প্রধান আসামি ও পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজ এবং তার সহযোগী ইব্রাহীমকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি। কয়রায় ৫৭ টি পূজা মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক বটিয়াঘাটায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: ৩০ হাজার মিটার জাল জব্দ, মাছ বিতরণ এতিমখানায় সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ দস্যুর আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম খান জনিকে সংবর্ধনা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনা জেলা কারাগার-২-এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের শব্দ, ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নানা হয়রানি: শব্দদূষণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ কপিলমুনি কলেজে ৮ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খুলনা দিঘলিয়া উপজেলা নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা।

রাষ্ট্র অচলকারীদের ক্ষমা: এটা কি ক্ষমা নাকি পুরস্কার?

M.A Salam ( Babu) / ১৫৪ ০০ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

*খুলনা ভিশন*
*স্টাফ রিপোর্টার: রবিউল  ইসলাম

*ঢাকা:* রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম আলোচিত সিদ্ধান্তেই ২১ জন এনবিআর কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করলেন।

এরা “নিরীহ” কর্মকর্তা ছিলেন না।
গত বছর এনবিআর আন্দোলনের নামে এরা সরকারি দপ্তর অচল করে দিয়েছিল। ২৮-২৯ জুন কাস্টমস-ভ্যাট-ট্যাক্স বন্ধ। আমদানি-রপ্তানি স্থবির। ক্ষতির হিসাব করতে সরকারকে আলাদা কমিটি করতে হয়েছিল।

বদলির আদেশ ছিঁড়ে ফেলা, শৃঙ্খলা ভাঙার দায়ে যাদের বিভাগীয় শাস্তি হয়েছিল, তারাই এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় দণ্ডমুক্ত।

*এটা ক্ষমা না, পুরস্কার*
রাষ্ট্র অচল করো, তারপর ক্ষমা পাও। বার্তাটা পরিষ্কার।
আজ যে দপ্তর বন্ধ করবে, কাল রাজনীতি বদলালেই তার শাস্তি মাফ। তাহলে শৃঙ্খলা থাকবে কিভাবে?

*বিএনপির পুরোনো প্যাটার্ন*
টিআইবির হিসাব: ২৪-এর আগস্ট থেকে ২৬-এর জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৭৫টি রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে ৬১৭টিতেই বিএনপির সম্পৃক্ততা। হার ৯১.৪%।

বিএনপি নিজেও স্বীকার করেছে। রুহুল কবির রিজভী ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বলেছিলেন, ৫ আগস্টের পর ৪-৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।

শাস্তি দিল, আবার ২৪০ জন বহিষ্কৃত নেতাকে ফিরিয়েও নিল। চাঁদাবাজি, দখল, অপহরণ, সহিংসতার অভিযোগ ছিল যাদের বিরুদ্ধে।

প্যাটার্ন একটাই: *আগে শাস্তি, পরে পুনর্বাসন। এখন সেটার রাষ্ট্রীয় ভার্সন: আগে শাস্তি, পরে ক্ষমা।*

*সবচেয়ে বড় ক্ষতি কোথায়?*
২১ জন কর্মকর্তার ক্ষমায় না। ক্ষতি হচ্ছে ভবিষ্যতের বার্তায়।
বার্তা হলো: “ক্ষমতার পাশে থাকলে আইন কিছুই না। মব করো, দখল করো, চাঁদাবাজি করো। শেষে ছাড় পেয়ে যাবে।”

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা যখন রাষ্ট্র অচলকারীদের পকেটে যায়, তখন প্রশ্ন একটাই:
*এই সরকার দেশ চালাচ্ছে কার জন্য? জনগণের জন্য, নাকি দলের জন্য?*


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা