আজ
|| ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
খুলনায় বনবিভাগের নৈশ প্রহরীর দায়ের করা মামলা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা প্রমাণিত
প্রকাশের তারিখঃ ৩ এপ্রিল, ২০২৬
মিথ্যা জন্ম তারিখ ও মিথ্যা সনদে চাকরি নেওয়ার ঘটনায় চাকরিচ্যুত খুলনার সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের নৈশ প্রহরী মো. সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে আদালত বন বিভাগ কর্তৃক তার বরখাস্তাদেশ বহাল রেখেছেন। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন, আদালত সকল প্রতিপক্ষের (বন বিভাগ) বিরুদ্ধে দো-তরফা সূত্রে সিরাজুল ইসলামের দায়েরকৃত মামলা না-মঞ্জুর করেছেন। ফলে বন বিভাগের বরখাস্তাদেশ বহাল রয়েছে।
এর আগে বনবিভাগ কর্তৃক তদন্তের মাধ্যমে প্রমানিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী চাকুরী থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। উক্ত দন্ডাদেশ এর বিরুদ্ধে বরখাস্তকৃত নৈশ প্রহরী খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ রায় ঘোষণার মাধ্যমে বন বিভাগের দন্ডাদেশ বহাল রেখেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নৈশ প্রহরী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একজন বনকর্মচারী দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে তার বেতন-ভাতা কর্তৃক গৃহীত অর্থ আদায় পূর্বক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার অভিযোগ জানালে তাৎক্ষণিক ভাবে দুদক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং অবৈধ ভাবে চাকরি গ্রহণের কারনে ওই নৈশ প্রহরী কর্তৃক গৃহীত অর্থ ফৌযদারি মামলা দয়েরের মাধ্যমে তার নিকট থেকে আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত কর্তৃক দন্ডাদেশ বহাল রাখায় উক্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়ে বন বিভাগের আর কোন বাঁধা নেই। আলোচিত এই সিরাজুল ইসলামের ভোগকৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফিরিয়ে আনার প্রতীক্ষায় রয়েছে বনকর্তৃপক্ষ।
Copyright © 2026 Khulna Vision24. All rights reserved.