• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
খুলনায় নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় বনবিভাগের নৈশ প্রহরীর দায়ের করা মামলা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা প্রমাণিত গাবুরা ইউনিয়ন ক্লাই/মেট এ্যাক*শন ফোরামের অর্ধ-বার্ষিক সভা ও কর্ম*পরিকল্পনা প্রণ#য়ন। রূপসায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ছাত্রদল সভাপতিকে ছুরিকাঘাত রূপসা ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় চাকরিজীবীর মৃত্যু বাগেরহাটের ফকিরহাটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫ বাগেরহাটে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের ৩ জনসহ ১৪ পার্থী বাগেরহাটে ঘোড়া ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ, আহত ১০ যশোরে পার্কিংয়ে থাকা বাসে অগ্নিসংযোগ, ক্ষতি ৫ লাখ টাকা

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

খুলনা ভিশন ডেক্স । বাবু / ১৬৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

আবু-হানিফ,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট এর চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ২৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মো. আনিসুর রহমান (৬২), সালেহা বেগম ও জেসমিন নাহার। এর মধ্যে জেসমিন নাহার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান তালুকদারের স্ত্রী।
তদন্তে জানা যায়, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ১৯ হাজার ৯৬৭ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রায় ২৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এই অর্থের একটি বড় অংশ মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি।
সিআইডি জানায়, বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় জমি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মান্নান তালুকদার। ২০১০ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি “মানুষ মানুষের জন্য” স্লোগান নিয়ে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত হলেও ব্যবসার কার্যক্রম ছিল কয়েকজন ব্যক্তিকেন্দ্রিক।
প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ‘সুদমুক্ত ও হালাল ব্যবসায় লাভের নিশ্চয়তা’ দিয়ে প্রচারণা চালায়। বলা হয়, ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বিনিয়োগ করা অর্থ দ্বিগুণ হবে।
কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ না করে সরাসরি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করে। তদন্তে দেখা গেছে, আব্দুল মান্নান তালুকদার সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৬৬ কোটি ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা নিজের মালিকানাধীন সাবিল গ্রুপের ছয়টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন।
এসব সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো—
এ্যাজাক্স জুট মিলস লিমিটেড, সাবিল ড্রেজিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (বাগেরহাট), সাবিল জেনারেল হাসপাতাল (পিরোজপুর), সাবিল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (বাগেরহাট), সাবিল ল প্লাজা ও সাবিল মৎস্য প্রকল্প (বাগেরহাট)।
বাকি অর্থ বিভিন্ন নামে-বেনামে অন্য প্রতিষ্ঠানেও স্থানান্তর করা হয়।
প্রতারণার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়ায় সিআইডি বাদী হয়ে আব্দুল মান্নান তালুকদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা