দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। প্রকৃতির ভারসাম্য আর পর্যটন শিল্পের বিশাল এক ক্ষেত্র। কিন্তু, প্রতি বছর ব্যাপক ভাঙ্গনের ফলে হুমকির মুখে এই জনপদের মানচিত্র। বিশেষ করে বেরিবাঁধে ভাঙ্গন ধরায়, এবারের বর্ষায় কুয়াকাটা শহরটাই সমুদ্রগর্ভে ভেসে যাবার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রতিবছর একটু একটু করে লোকালয়ে ঢুকছে সমুদ্র। এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম প্রান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা। জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব প্রান্তেও জনপদের দিকে এগোচ্ছে সাগর। গত ৩৬ বছরে এভাবে সাগরের পেটে গেছে পর্যটনকেন্দ্রের বহু স্থাপনা। যার আয়তন কম করে হলেও ৩ বর্গকিলোমিটার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিধ্বংসী হচ্ছে ভাঙনের এই ভয়াবহতা। এ বছরও উত্তাল ঢেউয়ের ঝাপটায় বিলীন হয়েছে সৈকত ঘেঁষে থাকা ১ হাজার ৩শ মিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। দোকান, স্থাপনাসহ আরও অনেক কিছু গিলে খেয়েছে সাগর। দুই যুগের বেশি সময় ধরে ভাঙনের এই তাণ্ডব চললেও তা ঠেকাতে নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। বরঞ্চ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে নেওয়া সৈকত রক্ষা প্রকল্প পরপর ৩ বার ফেরত পাঠিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। সৈকত রক্ষায় সম্প্রতি সর্বশেষ আরও একটি প্রকল্প জমা হয়েছে ঢাকায়। তবে এই প্রকল্পের ভাগ্য নিয়েও সন্দিহান কুয়াকাটার মানুষ।