নেপালি সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমস জানিয়েছে, নেপালে জেন জি আন্দোলনে পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে পৌঁছেছে। আন্দোলনে শতাধিক বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মীও আহত হয়েছেন। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় শহরের বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ জারি করেছে ।বিশেষ করে বানেশ্বর, শীতলনিবাস (রাষ্ট্রপতির বাসভবন), লেইনচৌর (উপ-রাষ্ট্রপতির বাসভবন), এবং বালুয়াটার (প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) এলাকাগুলোতে কারফিউ কার্যকর করা হয়েছে।
সরকারি দুর্নীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভের ঘোষণা দেওয়া হলেও আন্দোলন দ্রুত সহিংস রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা ফেডারেল পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট ও আকাশে গুলি চালিয়ে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে, তবে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় নতুন বাণেশ্বর, সিংহদরবার, নরায়ণহিটি ও সংলগ্ন সংবেদনশীল এলাকায় কারফিউ জারি করেছে। কারফিউ চলাকালে এসব এলাকায় চলাচল, সমাবেশ ও যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে পাঁচজন, সিভিল হাসপাতালে দুজন এবং কাটমাণ্ডু মেডিকেল কলেজ,