• সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
Headline
“স্মরণকালের জনসভা, দুই দশকের অপেক্ষা শেষ: তারেক রহমান ফিরছেন মৌলভীবাজারে” বাগেরহাটে যদুনাথ স্কুলএ্যান্ড কলেজের ১০৩ তম বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাসংকৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধন সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে দুই জেলেকে অপহরণ, আতঙ্কে জেলে-মহাজনরা বাগেরহাটে স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি শীর্ষক আলোচনা সভা বাগেরহাট এক আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা খুলনয় এক যুবককে গুলি করে হত্যা বিএনপির আসনে ‘বিদ্রোহী’ কাঁটা, স্বস্তিতে আছেন কেবল সেলিম ও ববি অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে যুক্তরাষ্ট্রে এক নারী নিহত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ

বাগেরহাটে ভেজাল প্রসাধনী তৈরির কারখানায় ভোক্তার অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

বাগেরহাট প্রতিনিধি / ৯১ Time View
Update : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাগেরহাটের বিসিক শিল্প এলাকায় ভেজাল প্রসাধনী তৈরির কারখানা সিলগালা ও ব্যবসায়ীকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর।
বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর বাগেরহাটের সহকারি পরিচালক শরিফা সুলতানা এই আদেশ প্রদান করেন।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দলকে সাথে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভেজাল ফেয়ার এন্ড লাভলী, অর্গানিক হেয়ার রিমুভাল ক্রিম, ফ্লোরিয়াস লিহান রং ফর্সাকারী ক্রিম, অর্গানিক হারবাল হেয়ার টনিক, গুলাবাড়ি, মিস এন্ড মিসেস বুস্টার, লাভ ইন বিউটি ক্রীম, স্পট আউট স্কিন ক্রিম, হিড কুল অয়েল, হানি এ্যান্ড এলমন্ড স্ক্রিন ময়েশ্চারাইজিং, লিহন গিলিসারিন, রোজ ওয়াটার, মোড়ক ছাড়া সাবান, তৈরির প্রমান পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরণের পন্যের মোড়ক পাওয়া যায়। মাত্র তিনটি পন্যের অনুমতি নিয়ে তিনি মিজানুর রহমান নামের ওই ব্যবসায়ী এসব ভেজাল পন্য তৈরি করছিলেন।
বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া পন্য মোড়কজাতকরণ ও ভেজাল পন্য তৈরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। ভেজাল পন্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। পন্যের গুনগত মান নিশ্চিত ও ভেজাল রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সহকারি পরিচালক শরিফা সুলতানা।
বিসিক সূত্রে জানাযায়, অলিফ কুমার নামের এক ব্যবসায়ী টিনের ফ্যাক্টরী হিসেবে বিসিকের ওই প্লটটি ইজারা নিয়েছিলেন। তিনি ওই প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে ভাড়া দিয়েছিলেন। তবে অভিযানের সময় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে পায়নি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর। সেখানে দুইজন মাত্র কর্মচারী ছিলেন, অন্য শ্রমিক বা কর্মচারীরা অভিযানের টের পেয়ে পালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিসিকের প্রমোশন কর্মকর্তা মোঃ শরীফ সরদার বলেন, বিএসটিআই এর অনুমোদিত পণ্য ছাড়াও বেশ কিছু অননুমোদিত পণ্য তৈরি করছিল প্রতিষ্ঠানটি। প্রশাসন ও আমাদের কাছে তথ্য ছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালায়ে সন্ধান পাওয়া যায়। আমি আশা করছি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের এমন অভিযান চলমান থাকবে এবং সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা প্রদান করবে। এমন অভিযান আশেপাশে অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান আছে তারা শিক্ষা গ্রহণ করবে।ভবিষ্যতে বিসিকে কেউ যাতে ভেজাল ও মানহীন পণ্য উৎপাদন না করতে পারে সেজন্য নজরদারি করা হবে বলে জানান তিনি।##


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা