আজ
|| ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
বাগেরহাটে (অবঃ) পুলিশ কর্মকর্তার চিংড়ি ঘের দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি
প্রকাশের তারিখঃ ২৯ আগস্ট, ২০২৫
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার কাহালপুর গ্রামে চিংড়ি ঘেরের জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি ও ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ মোনায়েম কবির মিরাজ মিয়া তার দুই ছেলেকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোল্লাহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ মোনায়েম কবির মিরাজ মিয়া।
থানায় লিখিত অভিযোগে মোঃ মোনায়েম কবির মিরাজ মিয়া জানান, গত ২৩ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে একই এলাকার ইউপি সদস্য পারভেজ মিয়া, পিন্টু মিয়া, সাগর মিয়া, রুবেল মিয়া, রাজু মিয়া, মেহেদী মিয়া, সাবিক মিয়া, এস্কেভেটর (ভেকু) গাড়ির ড্রাইভারসহ প্রায় ২০-২৫ জন আমার ভোগদখলীয় ০.৫৩ একর জমির উপর নির্মিত চিংড়ি ঘেরে অবৈধ প্রবেশ করে। তারা এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে ঘেরের পাড় কেটে ফেলে। এতে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার চিংড়ি ও সাদা মাছ ভেসে যায়। এছাড়া ঘেরে দেওয়া নেট ছিঁড়ে ফেলে এবং করলা ও অন্যান্য সবজির গাছ উপড়ে ফেলে আরও প্রায় ১ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে অবৈধ ভাবে প্রবেশকারী সন্ত্রাসীরা। আমি সন্ত্রাসীদর বাধা দিলে তারা আমাকে ও আমার ছেলেদের জীবন-নাশের হুমকি প্রদান করে। অবস্থা খারাপ দেখে আমি ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এসময় পুলিশের উপস্থিতিতেও সন্ত্রাসীরা আমাকে ও আমার দুই ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকিসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
এসময় সন্ত্রাসীরা আমাকে হুমকী দিয়ে বলে, তুই আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করবি। সেই সাখে ২৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। এছাড়া আমার চাচাতো ভাই একই এলাকার ওবায়েদুর রহমানের দেওয়া ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক এবং জমি বিক্রয় সংক্রান্ত ৩৫ লক্ষ টাকার বায়নাপত্র ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় আমাকে ও আমার সন্তানদের হত্যা করা হবে বলে হুমকী দেয় সন্ত্রাসীরা।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য পারভেজ মিয়া বলেন, মিরাজ মিয়া সম্পর্কে আমার চাচা হয়। ওই জমি নিয়ে আমাদের আরেক চাচা ওবায়েদ মিয়ার সাথে তার বিরোধ চলছে। মূলক ওবায়েদ মিয়ার নির্দেশে আমরা ওই জমিতে গিয়েছিলাম। পরে পুলিশ আসলে আমরা ওই জমি থেকে চলে আসি। আমি কাউকে হুমকি দেয়নি।
এ বিষয়ে পিন্টু মিয়া বলেন, মিরাজ মিয়া আমার চাচা। এই জমি নিয়ে দীর্গদিন বিরোধ চলছে। আমরা ওই জায়গায় গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকী ধামকীর কোন ঘটনা ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুর হক বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ##
Copyright © 2026 Khulna Vision24. All rights reserved.