• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline
নতুন কৌশলে সুন্দরবনের সিন্ডিকেটে আঘাত, সাতক্ষীরা ফরেস্টের অভিযানে বড় সাফল্য অনলাইন আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স ও আমার প্রত্যাশা। সুন্দরবনে নিষিদ্ধ কাকড়া আহরণকালে ৪ জেলে আটক বিএনপির বিরুদ্ধে সারাদেশে ষড়যন্ত্র চলছে, ইতিমধ্যে জাল সিল ধরা পড়েছে….মোংলায় শেখ ফরিদ পাইকগাছা উপজেলায় বিশাল সনাতনী সমাবেশে  রামপালে সাংবাদিকদের সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বটিয়াঘাটায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন নির্বাচিত হলে এ জনপদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো…মোংলায় লায়ন ফরিদ মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গমের চতুর্থ চালান খালাস ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় সাহসের বার্তা: ৯ নারী সাংবাদিককে ল্যাপটপ সহায়তা, আশার আলোয় ফিরছে সাংবাদিকতা

স্থানীয় না জাতীয় নির্বাচন আগে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: ইসি

খুলনাভিশন ডেক্স। কাজী আতিক / ১০৩ Time View
Update : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

নিউজ ডেক্স এইবার কিভাবে খেলা

‘স্থানীয় নির্বাচন আগে হবে, নাকি জাতীয় নির্বাচন আগে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে কেবল নির্বাচনের আয়োজন নিয়ে’।

আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে যখন নির্বাচন ভবনের বাইরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচন আগের করার দাবি ও ইসির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন। তখন পঞ্চম কমিশন বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন।

এনসিপি’র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মতামত দিতে চাই না।

স্থানীয় নির্বাচন তারা আগে চাচ্ছে, এমন বিষয় সামনে আনলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের সেক্যুয়েন্স কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে এটার পরিবর্তিত পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে বা পরে হবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে।

কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে এনসিপি’র তোলা প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে চাই না। আমরা কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং করে যাবে।

ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে আদালতের দেওয়া রায়ে বিরুদ্ধে আপিল না করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে ওই কমিশনার বলেন, আমরা কোন আইনের বলে কাজ করেছি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৫০, স্থানীয় নির্বাচন (সিটি করপোরেশন) আইনের ৫৪ ধারা, পৌরসভা নির্বাচনের বিধি ৫৪, উপজেলা নির্বাচন বিধিমালার ৫৬, ইউপি নির্বাচনের বিধি ৫৪। এই সবগুলোতে বলা আছে, নির্বাচন দরখাস্তে কাদের পক্ষভুক্ত করা যাবে। সেখানে নির্বাচন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার কোন আইন নেই। কিন্তু আমাদের দেশে যেটা হয়ে থাকে, যদি কেউ দরখাস্ত করে থাকেন, নির্বাচন কমিশনকেও একটি পক্ষ বানান। কিন্তু আইনে যেহেতু নেই, আমরা স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত, আমরা ফাইল ঘেঁটে দেখার চেষ্টা করেছি যে, কখনো নির্বাচন কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে পক্ষভুক্ত হয়েছে কি না, বা আপিল করেছে কি না। আমরা এমন কোনো নজির পায়নি। সুতরাং আমাদের পক্ষভুক্ত হওয়ার বা আপিল করার সুযোগ আইন আমাদের দেয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা