• রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
Headline
অনলাইন আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স ও আমার প্রত্যাশা। সুন্দরবনে নিষিদ্ধ কাকড়া আহরণকালে ৪ জেলে আটক বিএনপির বিরুদ্ধে সারাদেশে ষড়যন্ত্র চলছে, ইতিমধ্যে জাল সিল ধরা পড়েছে….মোংলায় শেখ ফরিদ পাইকগাছা উপজেলায় বিশাল সনাতনী সমাবেশে  রামপালে সাংবাদিকদের সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বটিয়াঘাটায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন নির্বাচিত হলে এ জনপদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো…মোংলায় লায়ন ফরিদ মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গমের চতুর্থ চালান খালাস ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় সাহসের বার্তা: ৯ নারী সাংবাদিককে ল্যাপটপ সহায়তা, আশার আলোয় ফিরছে সাংবাদিকতা আর্টিকেল নাইন্টিন পক্ষ থেকে ৯ জন নারী সাংবাদিকদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ 

মুক্তিপণ দিয়েও বাড়ি ফিরতে পারেনি সুন্দরবনের দুই জেলে

খুলনা ভিশন ডেক্স। কাজী আতিক / ১৫৩ Time View
Update : সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫

সাতক্ষীরা থেকে শেখ ফারুক :
সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে অপহৃত দুই জেলে মুক্তিপণ পরিশোধ করার পরও এখনও বাড়িতে ফিরতে পারেনি। গত সপ্তাহে সুন্দরবনের ফিরিঙ্গি ও ডিঙিমারী এলাকা থেকে মফিজুর রহমান (৪৫) ও আব্দুর রহিম (২৮) নামের দুই জেলেকে অপহরণ করা হয়। তারা সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত নেছার শেখ ও আশরাফ আলী গাজীর ছেলে।

জানা যায়, অপহরণের পর বনদস্যুরা তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ পরিশোধের পরেও গত পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও দুই জেলে তাদের পরিবারের কাছে ফিরতে পারেনি, যা তাদের পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে রবিউল ইসলাম নামের আরেক জেলে, যিনি আগুনজ্বালা এলাকা থেকে একই বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছিলেন, তিনদিন পর রোববার বাড়িতে ফিরেছেন।

অপহৃত দুই জেলের পরিবার ও তাদের সহযোগী জেলেরা জানান, গত সপ্তাহে মাছ শিকারে যাওয়ার পর ‘দুলাভাই বাহিনী’ নামক একটি জলদস্যু দল মফিজুর ও আব্দুর রহিমকে অপহরণ করে। এই বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দেয় ‘দুলাভাই বাহিনী’ হিসেবে, যদিও এর আগে গাজী বাহিনীর নামে দস্যুতা চালিয়ে আসছিল তারা।

ফিরে আসা জেলে রবিউল ইসলাম জানান, এই বাহিনী মোট নয় সদস্যের এবং প্রত্যেক সদস্য একটি করে অস্ত্র বহন করছে। তারা ২০১৮ সালে র‌্যাবের হাতে অস্ত্র সমর্পণ করলেও পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর এলাকার আবজাল এবং তার শ্যালক রবিউল।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, অপহরণের শিকার জেলেদের স্বজনরা এই ঘটনা তাদের কাছ গোপন করে রাখেন এবং জলদস্যুদের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় গিয়ে মুক্তিপণ পরিশোধ করেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির মোল্যা জানান, সুন্দরবনের ভেতরে অভিযান চালানো খুবই কঠিন এবং অন্যান্য বাহিনীর সহায়তা ছাড়া এটি সম্ভব নয়। অপহৃত জেলেদের স্বজনরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। তবে নিরাপত্তার কারণে তারা গোপন সমঝোতায় স্বজনদের মুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা