হিযবুত তাহরীরের কার্যক্রম পরিচালনাযোগ্য অপরাধ বলে সব পুলিশ সদর দপ্তর। আজ খবর এক বার্তায় এ কথা বলা সংস্থাটি। বার্তায় বলা হয়, হিযবুত তাহরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষিত সংস্থা। আইন অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনাযোগ্য অপরাধ।
পুলিশ বড্ড, সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ তারিখ অনুযায়ী ঘোষিত সরকারি সংস্থার কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ। এর অনুশীলন হিয তাহরণের সভা, সমাবেশ, মিলি, পোস্টারলিফলেট বা প্রচারের প্রচেষ্টার আইন লহর লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার এমএনএ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের ভিডিও ভিডিও পাবলিক রিলেশন্স পাকিস্তান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, জন প্রতি প্রতি আধিকারিক ২০০৯ প্রায় ২২ অক্টোবর হিযবুত তাহরীরকে প্রকাশ করে সরকার। সরকার থেকে সরকারি সংস্থার কার্যক্রম বেআইনি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। সর্বাগ্রে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং তা হলে দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, আজ হিযবুত তা হরীর বায়তুল মোকারমের উত্তর গেটে ‘মার্চ ফরখিলাফত’– ডাকার জন্য। দলে ডিএম পরিপাকে শান্তিপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন, হিয্য তা-সহ অংশো ঘোঁট কোনো সরকারি সভা, সমাবেশ ও বিভিন্ন উপায়ের প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ (তাদের) আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
গ্রুপ ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হিবু তাহরীর আইন অনুযায়ী একটি চূড়ান্তঘোষিত সংস্থা। জননিরাপর প্রতি সপ্তাহে গত ২০০৯ তারিখে ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার হিবুত তাহরকে ছুটি দেয়।
মধ্যরাতে রাতের রাত হিযবুত তাহর তিন সদস্যকে পরামর্শ দিয়েছে টেরোরিজম অ্যান্ড্রয়েড ট্রান্যান্সাশ ক্রাইম (সিটিসি) ইউনিট। শহর উত্তর পশ্চিম থানা এলাকা থেকে তাদের কথা বলা হয়। তারাসিন-মনরুল ইসলাম (৪০), মোহতা বিল্লাহ (৪০), মাহমুদুল হাসান (২১)। স্থানীয় উত্তরা পশ্চিম থানা সেক্টর-১১ ও সেক্টর-১২ এলাকায় অনেক বিষয়ে তাদের বলা হয়েছে। স্পষ্টরা বাইতুল মোকারাম মসজিদ এলাকায় ‘মার্চ ফর খিলাফত’ নামক সমাবেশ পালনের বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন।