• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
নতুন কৌশলে সুন্দরবনের সিন্ডিকেটে আঘাত, সাতক্ষীরা ফরেস্টের অভিযানে বড় সাফল্য অনলাইন আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স ও আমার প্রত্যাশা। সুন্দরবনে নিষিদ্ধ কাকড়া আহরণকালে ৪ জেলে আটক বিএনপির বিরুদ্ধে সারাদেশে ষড়যন্ত্র চলছে, ইতিমধ্যে জাল সিল ধরা পড়েছে….মোংলায় শেখ ফরিদ পাইকগাছা উপজেলায় বিশাল সনাতনী সমাবেশে  রামপালে সাংবাদিকদের সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বটিয়াঘাটায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন নির্বাচিত হলে এ জনপদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো…মোংলায় লায়ন ফরিদ মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গমের চতুর্থ চালান খালাস ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় সাহসের বার্তা: ৯ নারী সাংবাদিককে ল্যাপটপ সহায়তা, আশার আলোয় ফিরছে সাংবাদিকতা

মনু নদী থেকে রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫

মনু নদী থেকে রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:  কুলাউড়া উপজেলায় মনু নদী থেকে এক ‘রোহিঙ্গা’ নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ০৪ মার্চ ২০২৫ ইং, কুলাউড়া থানার ওসি মোঃ গোলাম আপছার জানান, সোমবার (০৩ মার্চ) সন্ধ্যায় দাউদপুর এলাকায় ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী মনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, সুরতহালের সময় লাশের সঙ্গে মোবাইল ফোন ও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি কার্ড পাওয়া যায়। ওই কার্ডে নাম লিখা রয়েছে ফাতেমা পারভীন। তবে পুলিশ নিশ্চিত নয় যে তিনিই পারভীন।
কুলাউড়া হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মনিরুজ্জামান হেলাল বলেন, মনু নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, এসময় লাশের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন ও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি কার্ড পাওয়া যায়। ওই কার্ডে নাম লিখা রয়েছে ফাতেমা পারভীন।
এ বিষয়ে কুলাউড়া থানা এসআই এনামুল হক সাগর বলেন, সুরতহালের সময় লাশের সঙ্গে একটি মোবাইল ফোন ও একটি সাদা কাগজের কার্ড পাওয়া যায়। এই কার্ডে লেখা রয়েছে ইউএনএইচসিআর নাম্বার- ৩০৫-১৬সি০১৯৫৭। নাম- পারভীন ফাতেমা, বাবা- হারুন মোহাম্মদ। জন্ম তারিখ ০১ জুন ২০০৭। কান্টি অফ অরজিন মায়ানমার।
তিনি বলেন, লাশের সঙ্গে এই কাগজ পেলেও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে মরদেহটি পারভীন ফাতেমার। অন্য কারো কার্ডও তার কাছে থাকতে পারে। এ ব্যাপারে তাদের তদন্ত চলছে।
ওসি গোলাম আপছার বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের সঙ্গে কিছু ডকুমেন্ট পেলেও আপাতত লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।
বিষয়টি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও অবগত করা হয়েছে বলে এই পুলিশের কর্মকর্তা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা