• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
Headline
খুলনায় নার্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় বনবিভাগের নৈশ প্রহরীর দায়ের করা মামলা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা প্রমাণিত গাবুরা ইউনিয়ন ক্লাই/মেট এ্যাক*শন ফোরামের অর্ধ-বার্ষিক সভা ও কর্ম*পরিকল্পনা প্রণ#য়ন। রূপসায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ছাত্রদল সভাপতিকে ছুরিকাঘাত রূপসা ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় চাকরিজীবীর মৃত্যু বাগেরহাটের ফকিরহাটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫ বাগেরহাটে জামানত হারালেন ইসলামী আন্দোলনের ৩ জনসহ ১৪ পার্থী বাগেরহাটে ঘোড়া ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ, আহত ১০ যশোরে পার্কিংয়ে থাকা বাসে অগ্নিসংযোগ, ক্ষতি ৫ লাখ টাকা

বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে জেলা আ.লীগ সভাপতি হারুনের

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫

স্টারফরন্টার।
খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ ও পতিত সাধারণের জেলা প্রশাসক শেখ হারুনুরদের বিতর্কিত কর্মকান্ড প্রকাশ করতে শুরু করেছে। নিজেকে স্বাধীনতা সংগ্রামেও তিনি কখনোই অংশগ্রহণ করেননি, নিজের বংশের নারী লুকিয়ে সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে নারীকে প্রকাশ করতে শুরু করেছেন।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে হারুন সকল অপকর্ম মাঠর প্রকাশের ঘোষণা-প্রমাণ জানাতে হবে। শুধু মাত্র জেলা প্রকাশের জন্য সাধারণ ভোটার সুজিত অধিকারের বিরুদ্ধে প্রমাণ করেও তাদের ক্ষোভ করেছেন। দল ক্ষমতাচ্যুতি জেলা প্রশাসন সুজিতের পর প্রায় চারেক শেখ হার, সাধারণ ভোটার অধিকারী নির্বাচনমতো নিখোঁজ ছিলেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতা- আমিরা বরাদ্দ নিরীহ পন্থী সুনিশ্চিত একটি বিরোধিতা করার জন্য বিরোধিতা করে।
বিক্ষুব্ধ বার-বার অভিযোগ, এই দুই পক্ষই দলকে চটি করেছেন। দল ক্ষমতাসীন থাকার সময়ে বানিজ্য কমিটি, বেচা-কেনা, হাইব্রিড ব্যাবসায়িদের স্পেসেস দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক কাজ। জেলা কমিউনিটি সহ সর্বত্র দলে উপদল করেছেন। ৫ আগস্ট দল ক্ষমতাচ্যুত হলে দুই পাশেই যান। এই দুইটি সংবাদ প্রচার কোন খবর- নিরাপত্তা খোঁজনি। অঢেল সহায় সম্পত্তির বিরোধিতা সত্ত্বে দু:সময়ে কোন নিরাপত্তা-কে ক্ষমতাকে ক্ষমতাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেননি। শেখ হারুন টানার বছর ক্ষমতায় ছিলেন। জেলায় আপনার জোটের পাশের খুলয় দফা না জেলায় দফা। ব্যপক অবস্থানের পরে নিজেকে দুর্নীতির রন্ধে রান্ধে বন্ধুন।
কথিত এই যুবক শেখ হারুন জেলা বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরে নিজের চেম্বারকে স্বাধীনমতো বালাখানা বলে মনে করেন। তার ওখানে দিনের সুন্দরী আনাগোনাভ ওপেন সিক্রেট। তিনি তাদের সহচর্য খুব এঞ্জয় করতে পারেন। চেম্বা চেম্বা রেড লাইট জ্বাল ব্যক্তিগত পাহারা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আত্মঘাতী নারী নিজেকে নিয়ে অনৈতিক নিয়োজিত রাখতে। সহজে তার কাছে আসা জেলাগুলো থেকে সুযোগ সুবিধা- নগদ টাকা সহায়তা করতে।
সুত্র বলা, মহল কর্মকাণ্ডে শেখ হারুন সত্যিকার অর্থে লাজ-লজ্জ বিহীন একজন বেশরম প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। মহানগর মহিলা মহিলা একজন পুরানো মধ্যমার্কা বিতর্কিত প্রার্থীকে নগদ টাকা, তিনভাগের বিষয়ে বিস্তারিত নেত্র কাজ বিনা টেন্ডার দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
সুত্র বলেছেন, এই কারণের বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকরা মহিলা নারীনেত্রীকে বৈঠকে আসা বন্ধ করতে অনুরোধ বেশি দিন কার্যকর হয়নি। শেখ হারুন আসুক। মহিলা নারী নেত্রী নিত্য নতুন পুরানো মেয়ে নিয়ে শেখ হারুনের কাছে উপস্থিত হতে। দল এবং অনুশীলন বিভিন্ন বিভিন্ন অফিস নিয়ে শেখ হারুন তার মনোরঞ্জনে সময় কাটাতেন। অবস্থান ওপেন সিক্রেট। শেখ নিজের রেস্ট রুমে নারিলক করে প্রকাশ হারেসংগঠন করতে। এই রুমের একাধিক বার- আপ রে অসহায়ের মতো বনান। সুত্রমতে, শেষ বয়সে তার লাম্পট্য সকল সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। পাল্টাপাল্টি নেতা মুখরা বুজে অনৈতিক কর্মকান্ড সহকারে শেখার কারণ।
জেলা প্রকাশ্য একজন সহ-সভাপতি পদে শেখা, তিনি দুই ঘণ্টা না হারুন হারুনের সাথে দেখা করার জন্য তার চেম্বা অপেক্ষায় ছিলেন, তিনবার আমাদের বিরোধিতা করেন। আলতু-ফাতু মেয়ে নিয়ে তাদের সামনে তার রেস্টে রুমে সময় কাটিয়েছেন, যেটা তাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর উল্লেখযোগ্য। শেখ হারুনের এমন কর্মীরা তাদের পরামর্শ দিয়ে অপমানিত করেছে।
আপনি, হারের সীমাহীন রাজনীতিতে জেলাুন সর্বস্বান্ত। নগরীর কুমারীকেন্দ্রে ডাকবাংলা বাজার ও চুকনগর উত্তর উত্তরের উত্তরে বরাদ্দে অনিয়ম নিয়ে দুদক শুরু করেছেন।
জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে দুদক এই দুই জায়গায় অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য প্রশ্ন। এরইউ শেখ খুলনা খুলনার ঐতিহ্যবাহী মহিলা সন্তান সত্বেও শেখের জন্য নিজের জন্য আগে “খুব” নারী শেখের সন্তানের হার মেনে নেওয়া শুরু করেন। পরিবর্তন, পরিবর্তন এই সমাজে দলের দৃশ্যমান শেখ হারুন স্বাধীনমতো নিজের বংশের পরিবর্তন করে। অবস্থানই নজিরবিহীন। ৯৬ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়ন সক্রিয় হতে হলে শেখ হাসিনা শুরু করেন। ব্যক্তিগত আগে বিবরণ শুরু করেন। তিনিই ভুয়া নেওয়া সেজে সরকার থেকে সুযোগ-সুবিধা শুরু করেন।
বিত্ত-বৈবভ থাকার সত্বেও মূল্যে নিজের মনের জন্যে নিজের ক্ষমতার অধিকারী পড়ান। তিনি বলেন, ব্যক্তিজীবনে শেখ হারুন নামাজ পড়েন না সব সময়ে তিনি টুপি পরে থাকেন। তার ঘনিষ্ঠ বাররাই লেখক, অর্থই শেখ হারুন একজন ভন্ড। টাকা-নারী আর ভন্ডামী ছাড়া তিনি ক্ষমতালোন না। জানা গেছে, পূর্ব বহির্ভূত ও ভুয়া ভাই সাজার কারণ আয়ে দুদকের তদন্ত তার বিরুদ্ধে জানা গেছে।
ভুয়া এমপির বিষয়ে খুলনা প্রার্থীদের সংসদের গণসংযোগ কমান্ডার, খুলনা জেলা প্রশাসনের সহসভার সভাপতি এভো এম এমপির রহমানকে বলেছেন, তিনি সংসদ সদস্য সংসদ সদস্য। জেলা প্রশাসনের দায়িত্বে ছিলেন। প্রায় এক দায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে শেখ হারুন সদস্য ছিলেন। দক্ষিণের অংশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কামর লড়াই টুকু বরাত দিয়ে শেখ মুজিব জানান, হারুনের সময়ে ভারত গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বন্ধুদের বাজার ঘাট করেন। শেখ হারুন দেশ রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন এমন রেকর্ড পাওয়া গেছে।
সুত্রমতে, মুক্তি বার্তায় একজন ব্যক্তি হিসাবে শেখ হারুনের নাম নেই। তিনি কোন সেক্টরে, কার নেতা, কোন এলাকায়, কোন সময়ে যুদ্ধ করেছেন, এটাও শেখ হারুন আজ অবধি বলতে পারেন। শেখ হারুন কর্মকর্তৃক ভুয়া সাধারন সাক্ষ্য অপসারিত হতে সাহায্যকারী দলের পক্ষ-ফাঁদ নেতারা প্রচন্ড বিব্রত, তাশক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে খুলনা জেলা একজন সংসদ-সভাপতি লেখক, তিনি ভুয়া নেতা, এটা ভাবতেও ভাবতে ভাবতে। একজন রাজনীতিক রাজনীতিক হিসাবে এমন ভুয়া রাজনীতি করা ঠিক না। যদি সত্য হয়, তবে তার বিচার করা উচিত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সম্ভাব্য উপজেলা লেখক হারুন-সু জুটি ফুটবলের ৮০’ সাল সলাহ যোগে-চুন্নু জুজু হার মানিয়েছেন। সম্মানিত আনন্দে আনন্দ-সাধারণ হিসাবে ভোটের ইঙ্গিতের প্রয়োজনে বিরোধিতা করে একজন টাকা গ্রহণ করে অন্যকে বোঝায়, আমি পেয়েই ভয় দিয়েছি, তুমিও দিয়েছ। আপনিই তারা ভাগে যোগেন ক্ষমতা কয়রা- ডুমুরিয়ার ফাইন্ডিং শুন্য আপনার নেতৃত্ব শেখ গাড়ির জোরের পরের পার্টির পার্টি থেকে ব্যাখ্যার টেন্ডারের গিফট পান সাধারণ। এই জুটি কোটি কোটি টাকা আয় করেন। তাদের ভোটাবানবান্য ও অতিরিক্ত অর্থ লোভের কারণে অনেক ভোটে নির্বাচনের ভোটে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে। নিজের জায়গায় বিদ্রোহী বিজয় লাভ করেন। এমনকি আপনার দলের প্রার্থী জয়ন শেখ হারুন আপন ভাগ্নে পদে বিজয়ী হতে চান। আবার বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা পদে বিকল্প-সাধারণ দুই দলের সমর্থনকারী সমর্থক এমন বক্তব্য ও সিক্রেট। এই জুটি জেলা কমিটি গঠনে সংঘর্ষের অবস্থান। উত্তরকে তারা জেলা সম্প্রদায়ে বসবাস করতে দেয়।
সুজিত ঘনিষ্ঠ একতা অনুরোধ করেছেন, এর সুজিত কোন দিন অধিকার জামাননি বা আন্দোলন করেন। ৯০ সালে এরশাশা পথ পতন খুলনা খুলনা রাজে মিলি সমাবেশে এমন দুটি গ্রুপের নেতার সাথে আলাপ করেছেন বলে জানা গেছে, সুজিতের দেখতেই তারা রাজপথে সমস্যানি। এই সুজিত অধিকারী সক্রিয় ব্যক্তিতে সক্রিয় আগে তিনি খুলনা দিয়েছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক বলেছেন, ক্ষমতায়ন সাধারণ ভোটার হওয়া সু মুলত আইন আরও বেশি সময় ব্রাসুল। সপ্তাহের পাঁচ দিনই তিনি আদালতে সময়। শুক্র ও শনিবার তিনি অফডে-তে নির্বাচনে নিজের সুবিধার্থে আসতে পারেন।
জনশক্তি প্রকাশ ক্ষমতামণ্ডার সদস্যের নাম না করে লেখক, স্রেফ অংশ টাইম জব হিসাবে ক্ষমতাসীন রাজনীতিক ধারণকারী সুনির্দিষ্ট অধিকারী। খুলনাতে আপনার পক্ষে পতন হলে জনতা আছে, একজন নারি শ্রী সহর বোরখা পরে তিনি যান। সেই থেকে তিনি টানা চার মাস টোটালি আত্মগোপনে ছিলেন। এই রিপোর্টের জন্য আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং সাধারণ ভোটাররা তাদের সেল ফোন ও হোয়াটসঅ্যায় ফোন বন্ধ করতে পারেন। এই বিষয়ে জেলাম জনসভা সহসভাপতি বিএমএম, জেলা প্রশাসন যুগ্ম সাধারণ নির্বাচনে কামর ক্ষমতা জামাল সদস্য অসিত বরণ বিশ্বাস কোন মন্তব্য করেন রাজিনি।
অন্য দিকে জেলা প্রশাসন যুগ্ম সাধারণ শর্ত শরফুদিন বিশ্বাস বাচ্চু, দপ্তর ক্ষমতা রিয়াজচির মোবাইল- হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ তাদের সমর্থন কবে হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা